গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকার ৭নং ওয়ার্ড মাটিয়া কলোনি রেঞ্জের সংরক্ষিত বনের জায়গা দখলের যে চিত্র শনিবার বাংলা লাইভ ২৪ এ প্রকাশিত হয়েছে তা খুবই হতাশার এবং দুঃখজনক। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীরা বনের জমি দখল করে শাল ও গজারিসহ দেশি প্রজাতির বিভিন্ন গাছ কেটে বনের জমিতে অবাধে ঘর নির্মাণ করতেছে।
প্রকাশিত সংবাদে বন ধ্বংসের যে বিবরণ জানা যায়, তাতে প্রতীয়মান হয় বাংলাদেশের বনভূমি তদারকি ও সংরক্ষণ করার দায়িত্বে যে কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের এদিকে যথাযথ দৃষ্টি ও মনোযোগ নেই। বনভূমি বেদখল হয়ে যাওয়া যেমন উদ্বেগের, এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব পালনে অবহেলা তেমনই দুর্ভাগ্যজনক।
অনুসন্ধানে জানা যায় দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা না থাকায় এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ক্ষমতাবান অসাধু কিছু ব্যক্তি বোনের গাছ কাটা ও ঘর নির্মাণ ও শুরু করে ।নুরুজ্জামান প্রথমে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করায় তার দেখা দেখি শিপন,নাছির উদ্দিন,খোকন,সেলিম,শিমুল,সরোয়ার,মোতালেব,ও
কাইয়ুম তারা এখনো নতুন ঘর নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছে। অভিযোগ রয়েছে এসব বনের জায়গা দখল ও প্রভাব খাটিয়ে নুরুজ্জামান, সেলিম,শিপন, ও নাছির উদ্দিন,একাধিক ঘর নির্মাণ করে সেগুলো ভাড়া দিয়ে থাকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাটিয়া কলোনি এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন।আমরা এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসতেছি।কিন্তু কিছু অবৈধ দখলদাররা স্থানীয়ভাবে ক্ষমতাবান অসাধু মানুষের জন্য আমাদের বসবাস অনিশ্চয়তার মধ্যে পরে গেছে। তাদের এসব দখল এর বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে তারা আমাদের কে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভিতি ও হয়রানি করে। তারা আরো বলেন। বন দখলদারদের দমন করার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে অবৈধ দখলদারদের যোগসাজশও বন্ধ করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে কালিয়াকৈর প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এখন আসল কাজ বেদখল বনভূমি পুনরুদ্ধার পাশাপাশি আবারও যাতে বেদখল হয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করা। অবিলম্বে এসব নতুন ঘর নির্মাণ বোনের গাছ কাটারোধ এবং যে সকল প্রভাবশালী ব্যক্তি একাধিক ঘর নির্মাণ করে বাণিজ্য করে আসতেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করতে হবে। তা করা না গেলে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে না।
কমেন্ট বক্স